অ্যাসাঞ্জকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠাতে যুক্তরাজ্যের সম্মত
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাসাঞ্জকে পাঠানোর ক্ষেত্রে তার মানবাধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে না। যুক্তরাষ্ট্রে তার সঙ্গে উপযুক্ত আচরণ করা হবে।
শুক্রবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর দিয়ে জানিয়েছে, ২০১০ ও ২০১১ সালে মার্কিন নথি ফাঁসের অভিযোগে অ্যাসাঞ্জের বিচার করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।
২০১৯ সালে লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাস থেকে বের হওয়ার পর ব্রিটিশ পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। ইকুয়েডর তার রাজনৈতিক আশ্রয় প্রত্যাহার করলে তিনি দূতাবাস ছাড়তে বাধ্য হন।
এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় উইকিলিকস বলেছে, এটি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ব্রিটিশ গণতন্ত্রের জন্য একটি অন্ধকার দিন।
টুইটারে তারা লিখেছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে লড়াইয়ের অবসান হচ্ছে না। তারা এই বিরুদ্ধে আপিল করবে।
২০১৯ সালের মে মাসে যুক্তরাজ্যে জামিনের শর্ত ভঙ্গের কারণে কারাগারারে সাজাভোগের সময় মার্কিন আইন মন্ত্রণালয় অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি আইন লঙ্ঘনের ১৭টি অভিযোগ আনে। তাদের দাবি, উইকিলকসের ফাঁস করেছে সেগুলো ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধ সংশ্লিষ্ট। এগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বেআইনি কর্মকাণ্ড উন্মোচিত হয়েছে এবং তা ছিল জনগণের স্বার্থে।







